রাসূল﴾ﷺ﴿ -এর বহুবিবাহ সম্পর্কে নাস্তিকদের অপবাদের জবাব
রাসূল﴾ﷺ﴿ -এর বহুবিবাহ সম্পর্কে নাস্তিকদের অপবাদের জবাব
________
সুরা নিসা ২৪-২৫ এবং আহযাব ৩৭, ৫০-৫২ আয়াতগুলোতে রাসুল সঃ এর বৈবাহিক জীবনের আলোচনা রয়েছে।একজন বিধর্মী উক্ত আয়াতগুলোর ব্যাখ্যা বিশ্লেষন করে বলেছে রাসুল সঃ নারীলোলুপ (নাউযুবিল্লাহ)। হযরত আমি আপনাদের কাছে উক্ত আয়াতগুলোর তাৎপর্যপূর্ণ ব্যাখ্যা এবং উপযুক্ত জবাব আশা করি।দয়া করে সুন্দর ভাবে বোধগম্যভাবে জবাব দিবেন।
আমরা উক্ত আয়াতগুলো দেখে নেই।
وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ النِّسَاءِ إِلَّا مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ ۖ كِتَابَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ ۚ وَأُحِلَّ لَكُم مَّا وَرَاءَ ذَٰلِكُمْ أَن تَبْتَغُوا بِأَمْوَالِكُم مُّحْصِنِينَ غَيْرَ مُسَافِحِينَ ۚ فَمَا اسْتَمْتَعْتُم بِهِ مِنْهُنَّ فَآتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ فَرِيضَةً ۚ وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا تَرَاضَيْتُم بِهِ مِن بَعْدِ الْفَرِيضَةِ ۚ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلِيمًا حَكِيمًا [٤:٢٤]
এবং নারীদের মধ্যে তাদের ছাড়া সকল সধবা স্ত্রীলোক তোমাদের জন্যে নিষিদ্ধ; তোমাদের দক্ষিণ হস্ত যাদের মালিক হয়ে যায়-এটা তোমাদের জন্য আল্লাহর হুকুম। এদেরকে ছাড়া তোমাদের জন্যে সব নারী হালাল করা হয়েছে, শর্ত এই যে, তোমরা তাদেরকে স্বীয় অর্থের বিনিময়ে তলব করবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করার জন্য-ব্যভিচারের জন্য নয়। অনন্তর তাদের মধ্যে যাকে তোমরা ভোগ করবে,তাকে তার নির্ধারিত হক দান কর। তোমাদের কোন গোনাহ হবে না যদি নির্ধারণের পর তোমরা পরস্পরে সম্মত হও। নিশ্চয় আল্লাহ সুবিজ্ঞ, রহস্যবিদ। {সূরা নিসা-২৪]
এ আয়াতে যে বিধান বর্ণিত হয়েছে। তা শুধু রাসূল সাঃ এর জন্য খাস নয়। এটি সকলের জন্যই প্রযোজ্য।
এখানে কাকে, কাকে বিবাহ করতে পারবে? তা বর্ণনা করা হয়েছে।
যিনা ব্যাভিচারের দরজা বন্ধ করার জন্য উক্ত আয়াতে কারিমায় মহর দিয়ে বিবাহ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সেই সাথে পরিস্কার বলা হয়েছে যে, বিবাহ করবে। যিনা বা ব্যাভিচার করার জন্য অর্থ দিয়ে তাদের সাথে সহবাস করবে না।
وَمَن لَّمْ يَسْتَطِعْ مِنكُمْ طَوْلًا أَن يَنكِحَ الْمُحْصَنَاتِ الْمُؤْمِنَاتِ فَمِن مَّا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُم مِّن فَتَيَاتِكُمُ الْمُؤْمِنَاتِ ۚ وَاللَّهُ أَعْلَمُ بِإِيمَانِكُم ۚ بَعْضُكُم مِّن بَعْضٍ ۚ فَانكِحُوهُنَّ بِإِذْنِ أَهْلِهِنَّ وَآتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ مُحْصَنَاتٍ غَيْرَ مُسَافِحَاتٍ وَلَا مُتَّخِذَاتِ أَخْدَانٍ ۚ فَإِذَا أُحْصِنَّ فَإِنْ أَتَيْنَ بِفَاحِشَةٍ فَعَلَيْهِنَّ نِصْفُ مَا عَلَى الْمُحْصَنَاتِ مِنَ الْعَذَابِ ۚ ذَٰلِكَ لِمَنْ خَشِيَ الْعَنَتَ مِنكُمْ ۚ وَأَن تَصْبِرُوا خَيْرٌ لَّكُمْ ۗ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ [٤:٢٥]
আর তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি স্বাধীন মুসলমান নারীকে বিয়ে করার সামর্থ্য রাখে না, সে তোমাদের অধিকারভুক্ত মুসলিম ক্রীতদাসীদেরকে বিয়ে করবে। আল্লাহ তোমাদের ঈমান সম্পর্কে ভালোভাবে জ্ঞাত রয়েছেন। তোমরা পরস্পর এক, অতএব, তাদেরকে তাদের মালিকের অনুমতিক্রমে বিয়ে কর এবং নিয়ম অনুযায়ী তাদেরকে মোহরানা প্রদান কর এমতাবস্থায় যে, তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে-ব্যভিচারিণী কিংবা উপ-পতি গ্রহণকারিণী হবে না। অতঃপর যখন তারা বিবাহ বন্ধনে এসে যায়, তখন যদি কোন অশ্লীল কাজ করে, তবে তাদেরকে স্বাধীন নারীদের অর্ধেক শাস্তি ভোগ করতে হবে। এ ব্যবস্থা তাদের জন্যে, তোমাদের মধ্যে যারা ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার ব্যাপারে ভয় করে। আর যদি সবর কর, তবে তা তোমাদের জন্যে উত্তম। আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়। [সূরা নিসা-২৫]
এ দু’টি আয়াতে কারিমায় যে বিধান বর্ণিত হয়েছে। তা শুধু রাসূল সাঃ এর জন্য খাস নয়। এটি সকলের জন্যই প্রযোজ্য।
এখানে কাকে, কাকে বিবাহ করতে পারবে? তা বর্ণনা করা হয়েছে।
যিনা ব্যাভিচারের দরজা বন্ধ করার জন্য উক্ত আয়াতে কারিমায় মহর দিয়ে বিবাহ করার



Comments
Post a Comment