হেফাজতে ইসলামের কুফুরী আক্বিদা
===================
1⃣ আল্লাহ মিথ্যা কথা বলতে পারেন, কিন্তু বলেন না।
আল্লাহ ওয়াদা খেলাপি করতে পারেন, কিন্তু করেন না।
(আহমদ শফী কৃত ভিত্তিহীন প্রশ্নাবলীর মূলোৎপাটন, পৃ. ২/৩)
2⃣সম্বোধন বাক্যে ‘ইয়া রাসূল’ ‘ইয়া নবী’ ইত্যাদি বলা প্রকাশ্য শিরক। (সুন্নাত বিদয়াতের সঠিক পরিচয়, পৃ. ৯৫) অথচ সকল ইমামগণ ও মুহাক্কিক ওলামায়ে কেরাম রাসূল (দুরুদ)-কে ইয়া রাসূল ও ইয়া নবী ইত্যাদি বলে আহ্বান করেছেন।
3⃣হাজির-নাজির সম্পর্কে আহমদ শফী বলে, হাজির-নাজির অর্থ নিজেকে নিজে সাহাবী দাবী করা। (ধর্মের নামে ভণ্ডামীর মুখোশ উন্মোচন, পৃ. ২২)
4⃣রাসূল (দুরুদ) এর হাজির-নাজির আক্বিদা পোষণকারীদের সম্পর্কে আহমদ শফী বলে, এই আক্বিদা পোষনকারী আবু জেহেল, আবু লাহাবের মতো। (ধর্মের নামে ভণ্ডামীর মুখোশ উন্মোচন, পৃ. ২২)
☪ অথচ রাসূল (দুরুদ) খোদা প্রদত্ত হাজির-নাজির হওয়া কোরআন-সুন্নাহর দ্বারা প্রমাণিত।
5⃣ইবনে ওমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমার বর্ণিত হাদিসে প্রিয়নবী (দুরুদ) বলেন, আল্লাহ আমার সামনে সম্পূর্ণ দুনিয়াকে তুলে ধরেছেন। এতে যা হচ্ছে এবং যা হবে সব আমি দেখতেছি। উক্ত হাদিস সম্পর্কে আহমদ শফী বলে, কানযুল উম্মাল গ্রন্থে বলা হয়েছে যে, এই হাদিসটি সনদ সূত্রে অত্যন্ত দুর্বল। (সুন্নাত বিদয়াতের সঠিক পরিচয়, পৃ. ১৪৭)
☪ কথাটি সম্পূর্ন মিথ্যা , উক্ত গ্রন্থকার (রহ:) এ হাদিস সম্পর্কে কিছুই মন্তব্য করেননি। (কানযুল উম্মাল ১১/৪২০ পৃ. হাদিস নং- ৩১৯৭১)
6⃣আহমদ শফী বলে, নবী করিম (দুরুদ) এর ইলমে গায়েব বা অদৃশ্যের জ্ঞানই ছিল না। (সুন্নাত বিদয়াতের সঠিক পরিচয়, পৃ. ১৩৪) ☪ অথচ নবী শব্দের অর্থ যিনি অদৃশ্যের সংবাদ দেন। (মেশবাহুল লুগাত, পৃ. ৮৪৭)
7⃣আহমদ শফী বলে, নবী (দুরুদ)-কে পূর্বাপর সকল বিষয়ে সর্বজ্ঞ মানা চরম বেয়াদবীর শামিল। (সুন্নাত বিদয়াতের সঠিক পরিচয়,পৃ. ১৪৩)
8⃣আহমদ শফী রাসূল (দুরুদ) খোদা প্রদত্ত ইলমে গায়েবের প্রতি আক্বীদা পোষণ সম্পর্কে বলে, যা পরিস্কার কুফরী, বরং সমস্ত কুফরীর চেয়েও বড় কুফরী। (সুন্নাত বিদয়াতের সঠিক পরিচয়, পৃ. ১৪৩)
9⃣আহমদ শফী বলে, ইসলামে দুটি ঈদ ব্যতীত অন্য কোন ঈদ নেই। (ধর্মের নামে ভণ্ডামীর মুখোশ উন্মোচন, পৃ. ১৫)
☪ অথচ রাসূল (দুরুদ) জুমার দিনকেও ঈদের দিন বলেছেন। (মুসনাদে আহমদ, সহীহ ইবনে খুযাইমা, মুসতাদরাকুল হাকেম)
1⃣0⃣আহমদ শফী আল্লাহর ওলীদের মাজার জিয়ারতকে হিন্দুদের পূজার সাথে তুলনা করেছে। (ধর্মের নামে ভণ্ডামীর মুখোশ উন্মোচন, পৃ. ১৮)
☪ অথচ রাসূল (দুরুদ) জান্নাতুল বাকীতে সাহাবীদের মাজার জিয়ারত করতেন।
1⃣1⃣ওরশ পালনকারীদের সম্পর্কে আহমদ শফী বলে, ধর্মব্যবসায়ীরা সাধারণ মানুষকে আকৃষ্ট করার জন্য বছর বছর ওরশের আয়োজন করে থাকে। (ধর্মের নামে ভণ্ডামীর মুখোশ উন্মোচন, পৃ. ১৪)
1⃣2⃣আহমদ শফী মাজার জিয়ারতকারীদের সম্পর্কে বলে, আসলে এ মাজারীরা (মাজার জিয়ারতকারীগণ) হিন্দুদের অনুসারী। (ধর্মের নামে ভণ্ডামীর মুখোশ উন্মোচন, পৃ. ২০)
1⃣3⃣রাসুল (দুরুদ) এর নাম মোবারক শুনে বৃদ্ধাঙ্গুলি চুম্বনকারীদের ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করে আহমদ শফী বলে, তাদের আযান দানকারীর মুখেই চুম্বন দেয়া উচিত। (সুন্নাত বিদয়াতের সঠিক পরিচয়,পৃ. ১১১) তার প্রতি আমাদের প্রশ্ন, নবীজির নাম মোবারক শুনে বৃদ্ধাঙ্গুলি চুমু খেয়ে চোখে লাগানোর হাদীস যদি জাল হয়, তাহলে মুয়াজ্জিনের মুখে চুমু খাওয়ার ব্যাপারে সহীহ হাদীস কোথায়? নাকি সে জাল হাদীস বানায়?
1⃣4⃣আহমদ শফী বলে, প্রচলিত ফাতেহা (সূরা ফাতেহা, ইখলাস তিনবার পাঠ করা) বাহ্যত একপ্রকার ভাত পূজা। কোন ভাত পূজা হয়ে থাকলে এটাকেই আখ্যায়িত করতে হবে। (সুন্নাত বিদয়াতের সঠিক পরিচয়, পৃ. ১৭০)
☪ অথচ রাসূল (দুরুদ) নিজেই ফাতেহা দিয়েছেন। আহমদ শফীর কথা অনুসারে রাসূল (দুরুদ) কি একজন ভাত পূজক ছিলেন? নাউজুবিল্লাহ।
1⃣5⃣আহমদ শফী বলে, আমাদের বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানে ওয়াহাবী বলতে কিছু নেই। (ধর্মের নামে ভণ্ডামীর মুখোশ উন্মোচন, পৃ. ১৭)
☪ তিনি অন্যত্র বলে, বর্তমান যুগের জামায়াতে ইসলামীকে ওয়াহাবী বলা যেতে পারে। (সুন্নাত বিদয়াতের সঠিক পরিচয়, পৃ. ১৬৪)
💘 এবার দেখুন তার মাথায় কি সমস্যা আছে।

Comments
Post a Comment